২০৩৫ সাল...একজন টেকনোফোবিক পুলিশ একটি ক্রাইম তদন্ত করে যেটি হয়তো একটি রোবট দ্বারা করা হয়েছে। এটি হয়তো মনুষ্যজাতির বিরুদ্ধে বৃহত্তর হুমকির প্রধান ভূমিকা পালন করবে
অফিসিয়াল মুভি পোস্টার

খুঁটিনাটি - পরিচালক - এলেক্স প্রোয়াস প্রযোজক - লরেন্স মার্ক, জন ড্যাভিস, টফার ডো গল্প - জেফ ভিন্টার চিত্রনাট্য - জেফ ভিন্টার, আকিভা গোল্ডসম্যান ধরণ - সাইন্স ফিকশন, একশান অভিনয়ে - উইল স্মিথ, ব্রিজেট মোয়নাহান, ব্রুস গ্রিনউড, জেমস ক্রোমওয়েল মিউজিক - মার্কো বেলট্রামি সিনেমাটোগ্রাফি - সিমন ডুগান সম্পাদনা - রিচার্ড লিরয়েড, আর্মেন মিনাসিয়ান

প্রোডাকশন কোম্পানি - ড্যাভিস এন্টারটেইনমেন্ট, লরেন্স মার্ক প্রোডাকশন, ওভারব্রুক ফিল্মস পরিবেশনায় - ২০ সেঞ্চুরি ফক্স মুক্তি - ১৬ জুলাই, ২০০৪ রানিং টাইম - ১১৫ মিনিট দেশ - যুক্তরাষ্ট্র ভাষা - ইংরেজি বাজেট - $১২০ মিলিয়ন বক্স অফিস - $৩৪৭ মিলিয়ন

ভাল দিক- অসাধারণ ভিজুয়াল ইফেক্টস, দারুণ কিছু প্লট টুইস্ট...
খারাপ দিক- দ্বিতীয়ার্ধে চিত্রনাট্যে কিছুটা অসংগতি রয়েছে...


কাহিনী সারসংক্ষেপ - সময় এখন ২০৩৫ সাল। এই পৃথিবীর সবাই একটি বিশাল রোবটিক্স সিস্টেমের উপর নির্ভর করে চলে যেটি প্রোগ্রাম করা হয়েছিল মানবজাতিকে সাহায্য করার জন্য এবং যেকোনো মূল্যে তাদের ক্ষতি না হতে দেয়ার জন্য। কিন্তু এক ব্যক্তি এটি মনে করেনা যে রোবট আসলেই সাহায্যকারী। তিনি হলেন শিকাগো শহরের ক্রাইম ডিটেকটিভ ডেল স্পুনার। হঠাৎ একদিন যুক্তরাষ্ট্র রোবটিক্স (ইএসআর) থেকে সে একটি কল পায় যার মাধ্যমে সে প্রখ্যাত রোবট বিজ্ঞানী ড. আলফ্রেড জে ল্যানিং এর সম্প্রতি মৃত্যু সম্বন্ধে জানতে পারে।
স্পুনার সরাসরি এই ঘটনার জন্য কোনো সমর্থনযোগ্য কারণ ও প্রমাণ ছাড়া রোবটদেরকে দায়ী করে।
তারপর সে ল্যানিং এর মৃত্যুর তদন্ত ব্যক্তিগতভাবে শুরু করে। তখন সে 'সনি' নামক একটি অনন্য হিউমেনয়েড রোবট সম্পর্কে জানতে পারে।

একটি ব্যাপার স্পুনার কোনোভাবেই বুঝতে পারছেনা যে কিছু একটা অদ্ভুত হতে চলেছে, এটি হয়তো সে কখনো তার সপ্নেও ভাবতে পারবেনা। এরপর কি হবে? এই রোবটদের মিশন আসলে কি? জানতে হলে আপনাকে অবশ্যই দেখতে হবে মাস্টারপিস এই মুভিটি...
লিখেছেন - আতিক আলম , সাইন্স ফিকশন মুভি ক্রিটিক্স at বিজ্ঞানবিডি
পূর্ববর্তী আর্টিকেল পরবর্তী আর্টিকেল