জ্যোতির্বিজ্ঞানপদার্থবিজ্ঞানবিষয়ভিত্তিক

মির স্পেস স্টেশন

, May 09, 2019 WAT
Last Updated 2020-07-27T00:51:10Z
Advertisement
 দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যে দেশের রেষারেষি চরম পর্যায়ে পৌঁছেছিল সেই দুটি দেশ হল আমেরিকা এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন ইতিহাস যাকে বলে / যারপ কয় ঠান্ডা যুদ্ধ।সে অর্থনীতি হোক বা সমরাস্ত্র কিংবা আকাশযুদ্ধ সব কিছুতে দু জন দুই পক্ষ। দুই একটা ঘটনা মনেকরিয়ে দিই,প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ এবং মহাকাশে মানুষ পাঠানোর রেকর্ড সোভিয়েত ইউনিয়নের দখলে।

অন্যদিকে আবার চাঁদে মানুষ প্রাথম পাঠায় নাসা ( NASA )। এই সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন ১ম মহাকাশে ভাসমান স্পেস স্টেশন পাঠায় ১৯৭১ সালে যার নাম Salyut - 1। এই স্পেস স্টেশনেই ১ম বার অবতরণ করেন রাশিয়ার ৩টি কসমোনট। পারতপক্ষে Salyut স্পেস স্টেশনের একরা সিরিজ। ১৯৭১ থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত Salyut সিরিজের ৭টা স্পেস স্টেশন মহাকাশে রাজকরেছিল বলা যায়। উল্টোদিকে আমেরিকা স্কাই ল্যাব বানিয়ে গোটা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল। এমনকি বার তিনেক মানিষ থেকে এসেছে স্কাইল্যাবে ।

এই পরিস্থিতিতে Salyut মিশনের শেষ ভাগে প্রয়োজন হয়ে পড়ে আরো একটা স্পেস স্টেশনের। যার ফলশ্রুতি মির স্পেস স্টেশন।
১৯৮৬ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি সোভিয়াত ইউনিয়নের বৈকানুর থেকে প্রোটন রকেটের সাহায্যে উৎক্ষেপণ করা হয় মির কে। সেই সময়ের স্পেস স্টেশন গুলোর মধ্যে মিরের ভর ছিল সবচেয়ে বেশি প্রায় ১৩০ টনের মতো৷
পরবর্তী কালে সেই তাকমা ছিনিয়ে নেয় আইএসএস যার ভর ৪২০ টন। মিরের দৈঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা ছিল যথাক্রমে ১৯মি. ৩১ মি. এবং ২৭.৫ মি. যদিও প্রথমে মির এত বড় ছিল না।১৯৮৬ থেকে ২০০১ এই সময়ের রেকর্ড ৫৫১০ দিন ধরে মহাকাশে ছিল মির।মিরের পরিভ্রমণ কালে বেগছিল প্রায় ২৮০০০km/h অর্থাৎ এতে বসে মাত্র ৯২ মিনিটে পুরো পৃথিবী কে একবার ঘুরে আসাযেত।মিরকে ব্যবহার করা হয়েছিল মূলত মাইক্রোগ্রাভিটি গবেষণাগার রূপে এবং মানব তথা অন্যান্য.. (চলবে)
-নাজমুল হাসান